যশোর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রের তথ্যমতে, জেলার ৮ উপজেলার ১৬টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রতিটিতে শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৫০ জনের নিচে হওয়ায় সেগুলোকে পাশের স্কুলের সঙ্গে একীভূত করার প্রক্রিয়া চলছে। সেগুলো হলো- সদর উপজেলার ৩টি-পুটিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (শিক্ষার্থী ৪৬), বাগডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (শিক্ষার্থী ৪৯), রামকৃষ্ণপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (শিক্ষার্থী ৫০), ঝিকরগাছা উপজেলার ২টি- শিশুতোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (শিক্ষার্থী ৩৮), আটঘরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (শিক্ষার্থী ৪৯), শার্শা উপজেলার ২টি- ছোট পোয়াল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (শিক্ষার্থী ২৭), কাশিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (শিক্ষার্থী ৩৪), চৌগাছা উপজেলার পুড়াপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (শিক্ষার্থী ৩৬), বাঘারপাড়া উপজেলার ২টি- দিঘলটলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (শিক্ষার্থী ৩৯), গিধরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (শিক্ষার্থী ৪৯), মণিরামপুর উপজেলার ৩টি- পশ্চিম চন্ডীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (শিক্ষার্থী ৪১), বালিদাহ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (শিক্ষার্থী ৪৩), বেগমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (শিক্ষার্থী৪৫), কেশবপুর উপজেলার ২টি- মশিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (শিক্ষার্থী ৪৭), বাজিতপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (শিক্ষার্থী ৪৮) এবং অভয়নগর উপজেলার হরিষপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (শিক্ষার্থী ১৮)।
এদের মধ্যে অভয়নগরের হরিষপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় জেলার সবচেয়ে কম শিক্ষার্থীর স্কুল। সদর উপজেলার রামকৃষ্ণপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় তালিকার প্রান্তিক সীমানায় রয়েছে।
যশোর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার (অ. দা.) জি এম আলমগীর কবির বলেন, এসব স্কুলে শ্রেণিভিত্তিক শিক্ষার্থীর সংখ্যা অত্যন্ত কম (গড়ে প্রতি শ্রেণিতে ৬-৮ জন)। এতে সরকারি সম্পদের অপচয় এবং মানসম্মত প্রতিযোগিতামূলক শিক্ষার পরিবেশ বিঘ্নিত হচ্ছে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নীতিমালার আলোকে এই তালিকা জেলা শিক্ষা অফিস থেকে অধিদপ্তরে পাঠানো হয়েছে। একীভূত হওয়ার পর স্কুলগুলোর শিক্ষকদের শূন্যপদ থাকা অন্য স্কুলে বদলি এবং ভবনগুলো পার্শ্ববর্তী স্কুলের রিসোর্স সেন্টার বা অন্য সরকারি কাজে ব্যবহারের পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।

